সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিশ্ব মা দিবসে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’র ব্যতিক্রমী আয়োজন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় পছন্দের শীর্ষে জাকির ‎কেন্দুয়ায় জনমনে প্রশ্ন দল থেকে বহিস্কৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী জুয়েলের গডফাদার কারা? নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় নালা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রকৃত কৃষকদের ন্যায্য সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস এমপি বাবরের নেত্রকোনায় আনন্দ বাজারে ফুটব্রীজ ভেঙে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন  নেত্রকোনার মদনে ২ শত পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক নেত্রকোনায় ১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বাঃ গ্রেফতারকৃত মাদরাসার শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টাঃ তরুণী আটক নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক আটক

প্রকল্প কাজে নয় ছয়,  পিআইও অফিসের অফিস সহকারীর যোগসাজসে বরাদ্দের টাকা আত্মসাত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৫৬ বার পড়া হয়েছে

 

(বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আংগুর রহমান ভূইয়া)

নেত্রকোনা মদনে কাবিটা প্রকল্পের কাজে নয় ছয় করে পিআইও অফিসের অফিস সহকারি রাসেলের যোগসাজসে প্রকল্প সভাপতি আবুল কালামের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উঠেছে। এই নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ। শুরু হয়েছে সুশীল সমাজের মধ্যে কানাঘুষা। বিরাজ করছে উত্তেজনা। জনসাধারণের প্রশ্ন কিভাবে একই ব্যক্তি এক অর্থবছরে তিনটি প্রকল্পের সভাপতি হয়? স্থানীয় বলছেন উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পের নামে টাকা আত্মসাৎ করা। তবে প্রকল্প সভাপতির দাবি তিনি বাড়িতে থাকেন না। অন্য লোক দিয়ে কাজ করিয়েছেন। তার দাবি কাজ ঠিকঠাক হওয়ায় তিনি বিল পেয়েছেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তৃতীয় পর্যায় কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা তিয়শ্রী ইউনিয়নের একই জায়গায় ধুবাওয়ালা সিসি রাস্তা হতে হাওরে ইসলাম উদ্দিনের জমি, ছোটন মিয়া জমি হইতে সাইফুল ইসলামের জমি ও হান্নানের জমি হইতে কালামের জমি পর্যন্ত তিনটি প্রকল্প দেওয়া হয়। এ তিনটি প্রকল্পে ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের সভাপতি আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তি কে প্রকল্প সভাপতি করা হয় ।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, একই রাস্তায় ঘুরেফিরে তিনটি প্রকল্প করা হয়। এই তিন প্রকল্পে নয় লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে রাস্তা সংস্কার কাজ নামমাত্র মাটি কাটা হয়। তবে স্থানীয় লোকজন তিনটি প্রকল্পের ৯ লাখ টাকা বরাদ্দের বিষয়ে কিছুই জানেন না ।

স্থানীয় শাহ আলম, পল্টন, মিঠু, তানজিল সহ অনেকেই বলেন, এই রাস্তায় ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে তা আমরা এলাকাবাসী জানিনা। সব মিলাইয়া এক্সভেটর দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মতো কাজ করা হয়েছে। যা গড়ে ৯০-৯৬ হাজার টাকার কাজ হয়েছে। এইডা চুরি না যেন ডাকাতি হয়েছে। প্রকল্প কাজে যে বা যারা অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে আমরা তাদের উপযুক্ত শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিয়শ্রী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন শামীম বলেন, এই রাস্তা সংস্কার বাবদ ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ! এলাকাবাসী কেউই জানেনা। তিনটি প্রকল্প একটা রাস্তায় দেওয়া হয়েছে। কিছু মাটি ফেলেছে আমরা এলাকাবাসী দেখেছি।

তিনি আরও বলেন, রাস্তা একটা, জায়গাও অল্প, এর মধ্যেই ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ। এ যেন মগের মুল্লুক।

প্রকল্প সভাপতি আবুল কালামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নেত্রকোনায় থাকেন তিনি। অন্য লোক দিয়ে প্রকল্পের কাজ করিয়েছেন। তার দাবি কাজ ঠিকঠাক হওয়ায় তিনি বিল পেয়েছে।

মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্পের বরাদ্দের সময় তিনি ছিলেন না। বিষয়টা তার অফিসের অফিস সহকারী রাসেল ভাল জানেন।

 

প্রকল্প কাজে তার যোগসাজসে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্যালয়ের অফিস সহকারি রাসেল জানান, আমি অফিসের সামান্য একজন কর্মচারী। বিল দেওয়ার ক্ষমতা বা সাইন করার ক্ষমতা আমার নেই। আমি এ বিষয়ে কিভাবে জানব?

এ ব্যাপারে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অহনার জিন্নাত জানান, এই প্রকল্পের কাজের সময় আমি ছিলাম না। আমার আগের ইউএনও বিষয়টা ভালো জানেন।

তাং ০৬\০৩\২৫ ইং

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 khobornetrokona
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin