শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নেত্রকোনায় গত ১ বছরে  ২০৭টি অস্বাভাবিক মৃত্যু  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে নেত্রকোনা প্রেসক্লাবে খালিয়াজুড়ি উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন কেন্দুয়ায় বিএনপিতে যোগদানকারীদের আওয়ামিলীগের হুমকি ও মারধর মোহনগঞ্জে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ গৌরীপুর সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে সংঘর্ষে বিএনপি নেতাসহ আহত ২ কেন্দুয়ায় চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস রিপন হত্যা মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১জন গ্রেফতারঃ হত্যার রহস্য উদঘাটন  “খাজা উসমান খাঁ সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৫” ঘোষণা:   পুরস্কৃত হলেন দেশের  ৮ গুণী ব্যক্তি নেত্রকোনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানঃ চার কেজি একশ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক মদনে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত-২২

মদনের সড়ক বিহীন সেতু, কোন কাজে আসছে জনগণের।

শফিউল আলম রানা, মদন প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৬২ বার পড়া হয়েছে

নেএকোনা মদন উপজেলায় ৯০ দশকে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান  হুসাইন মো এরশাদের সময়ে  ফতেপুর ইউনিয়নে দেওয়ান বাড়ির মোড়ে  নির্মিত হয় এই  সেতুটি, বর্তমানে অপরিত্যাক্ত  অবস্থায় আছে মদন এলজি ডি শাখার আওতাধীন এই সেতুটি।

এলাকাবাসীর সুএে জানা যায় এই সেতুটি  পূর্বে রাস্তা  চলাচলের জন্য জনগণের  খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, দেওয়ান বাড়ির সহ এই খালের   পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল  এই সেতুর নিচ দিয়ে, উপর দিয়ে যাতায়াতের রাস্তার ব্যবস্হা ছিল।
বর্তমানে ফতেপুর ইউনিয়নের সংযোগ  রাস্তা ধানকুনিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ায় এই সেতুটি জনসাধারণ কোন উপকারে   আসছে না সরকারের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।
 সাবেক ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান মোসরু ইয়ার চৌধুরী বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  থাকাকালীন সময়ে এই অপরিত্যাক্ত সেতুটি নিলাম  দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে, কিন্তু পরবর্তীতে কোন কাজ না   হওয়ায় এই ভাবেই দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি সরকারের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে ।
 ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের
 বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী তিনি  বলেন, এই পরিত্যক্ত সেতুটি জনগণের কোন কাজে আসছে না,  সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। আমি এলজি ডি অফিসের সাথে যোগাযোগ  করব, যাতে করে এই সেতুটি নিলাম করে    ব্যবস্থা নেয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  স্যারকে বিষয় টি অবগত করব।
 মোহনগঞ্জ  উপজেলা এলজি ডি কর্মকর্তা মদনের দায়িত্ব প্রাপ্ত মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন,  জনগণের কোন উপকারে যদি এই সেতুটি না লাগে  তবে  উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে নিলাম করে দিব।   নিলামের মাধ্যমে যে টাকা হবে  সরকারি কোশাগারে জমা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ তিনি বলেন,  আমি সেতুটি দেখবো যদি জনগণের কোন উপকারে  না আসে  তবে কার্যকরী ব্যবস্হা গ্রহণ করব।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 khobornetrokona
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin