সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নেত্রকোনা জেলা যুবদল নেতা আনসারীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গৌরীপুরে পূর্ববিরোধের জেরে হামলায় একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত  বিশ্ব মা দিবসে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’র ব্যতিক্রমী আয়োজন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় পছন্দের শীর্ষে জাকির ‎কেন্দুয়ায় জনমনে প্রশ্ন দল থেকে বহিস্কৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী জুয়েলের গডফাদার কারা? নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় নালা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রকৃত কৃষকদের ন্যায্য সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস এমপি বাবরের নেত্রকোনায় আনন্দ বাজারে ফুটব্রীজ ভেঙে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন  নেত্রকোনার মদনে ২ শত পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক নেত্রকোনায় ১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বাঃ গ্রেফতারকৃত মাদরাসার শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে

মদনে পানিতে ডুবল ৪ হাজার হেক্টর বোরো ধান, বিপাকে নয় হাজার কৃষক

নূর মোহাম্মদ জরিপ
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার মদনে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত ৯ হাজার কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার অল্প সময়ের জন্য রোদ উঠলেও শুক্রবার থেকে আবার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। পরে রাতে বৃষ্টি শুরু হয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। ফলে প্রায় পাঁচ দিন ধরে কেটে আনা ধান রোদে শুকানো সম্ভব হয়নি।
জমি থেকে কাটা ভেজা ধান খলা, স্কুল মাঠ ও বাড়ির উঠানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। একদিকে নতুন করে বিস্তীর্ণ জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে রোদ না থাকায় কাটা ধানও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানি গ্রামের কৃষক মজু মিয়া বলেন, “গণেশের হাওরে দুই একর জমিতে চাষ করেছিলাম। কাটার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল, হারভেস্টার ঠিক করা ছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতের ঢলে সব তলিয়ে গেছে। ১০ জনের সংসার কীভাবে চলবে বুঝতে পারছি না।”
বর্গাচাষী আনোয়ার জানান, “ঋণ করে তিন একর জমি বর্গায় চাষ করেছিলাম। চোখের সামনে সব ডুবে গেল। ঋণ কীভাবে শোধ করব বুঝতে পারছি না। সামনে মহাজনের চাপ বাড়বে।”
ফতেপুর ইউনিয়নের হাসনপুর গ্রামের কৃষক ফৌজদার মিয়া বলেন, “৫ একরের মধ্যে ৩ একরই তলিয়ে গেছে। কিছু ধান কেটে স্কুল মাঠে শুকাতে দিয়েছি, কিন্তু চার দিনেও শুকাতে পারিনি। অনেক ধানে গ্যাজ ধরে গেছে, দামও পাচ্ছি না।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, “নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও ঢলের কারণে প্রায় ৩ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮ হাজার ৪৭০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছিল।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 khobornetrokona
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin