বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
গৌরীপুরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ১২৭০ জনের মধ্যে অনুপস্থিত ৫৬৪ জন রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শিশুদের সৃজনশীলতার ঝলক মদনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন, শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল নেত্রকোনার দূর্গাপুরে ৬ শত বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নেত্রকোনায় নেই নিজস্ব জায়গা, নিজস্ব ভবনঃ ৩ উপজেলায় এক বছর যাবৎ সাব রেজিস্ট্রার না থাকায় সেবা প্রার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ  মদনে ভেকু দিয়ে সরকারি জমি কাটার মহোৎসব, অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাটি পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় নদী ও পুকুর থেকে  দুইজনের লাশ উদ্ধার  স্লুইসগেট রক্ষায় ২০০ বস্তা প্রদান, হাওরের ফসল রক্ষা পেলো মদনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ফসলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বাড়ি ঘর লন্ড ভন্ড

কােরবানীর জন্য প্রস্তুত নেত্রকােনার মদনের সবচয়ে বড় গরু কালু শাহ্

সিনিয়র রিপোর্টার এ কে এম আব্দুল্লাহ
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ৫৭৪ বার পড়া হয়েছে

শান্ত প্রকৃতি ও কালাে রঙের হওয়ায় নাম রাখা হয়েছে ‘কালু শাহ্’। কালু শাহ্ লম্বায় সাত ফুট। ওজনে প্রায় ২৪ মণ। বয়স তিন বছর এক মাস। কালু শাহ্ ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়। এবার কােরবানির ঈদে বিক্রির জন্য তাকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

নেত্রকােনা জেলার মদন উপজেলা সদরের ‘জয় মা মিষ্টান ভান্ডার’-এর মালিক সুজন নাগ তার জাহাঙ্গীরপুর নদীর পাড়ের শ্বশানঘাটের পাশ্ববর্তী খামারে কালু শাহ্কে লালন পালন করেছেন।

সুজন নাগ বলেন, তিন বছর এক মাস আগে আমার গরুর খামারেই কালু শাহ্’র জন্ম হয়। এরপর থেকে তাকে কােনাে ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হচ্ছে। আদর করে নাম রাখা হয়েছে কালু শাহ্। মদন উপজেলায় গত প্রাণি সম্পদ মেলায় অন্যান্য ষাঁড়কে পিছনে ফেলে কালু শাহ্ ১ম স্থান অর্জন করে।

কালু শাহ্ অনেক বড় গরু হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখতে উপজেলার বিভিন এলাকার মানুষ এসে ভিড় করছেন। এবার কােরবানির ঈদে কালু শাহ্ই মদন উপজেলার মধ্যে সবচেয় বড় গরু বলে দাবি করেন সুজন নাগ। মাঝে মধ্যে ক্রেতারাও আসছেন ষাঁড়টি কিনতে। সুজন এই ষাঁড়টির দাম হাঁকছেন ৮ লাখ টাকা।
কালু শাহ্’র মালিক সুজন বলেন, ষাঁড়টি দেখতে কালা এবং খুবই শান্ত প্রকৃতির। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের ডাক্তারদের পরামর্শক্রমে কােনাে ক্ষতিকর ঔষুধ ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করছি। বর্তমানে ষাঁড়টির ওজন প্রায় ২৪ মণ। ষাঁড়টির দাম চাচ্ছি ৮লাখ টাকা, তবে আলােচনা সাপেক্ষে কম টাকায় বিক্রি করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের শেষের দিকে তিনটি গাভি দিয়ে খামারটি শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারে ১১টি গরু রয়েছে। এদের মধ্যে কালু শাহ্ নামক ষাঁড়টিকে এবার কােরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমার অবর্তমানে খামারের ম্যানেজার শ্রী গােপাল চদ্র দাস ও একজন কর্মচারী খামারটি দেখাশােনা করেন।
মদন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাসুদ করিম সিদ্দিকী বলেন, সুজন নাথের খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশােনা করছি। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সবচেয়ে বড়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 khobornetrokona
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin