
একই শ্রেণি কক্ষে ৬ ক্লাস একত্রে নেয়ায় মদন উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা। বৃহস্পতিবার কারণ দর্শানো নোটিশের বিষয়টি নিশ্চত করেন। উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের এ ইউ খন্দকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে। তিন শিক্ষক হলেন, সহকারি শিক্ষক খন্দকার ওলীউর রহমান, কামরুল ইসলাম ও মরিয়ম আক্তার।
জানা যায়, ১৪ জানুয়ারী বুধবার সকাল সাড়ে ১২ টায়
১২ টার দিকে বিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষক উপস্থিত দেখা যায়। এর মধ্যে খন্দকার ওলীউর রহমান প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ছয়টি ক্লাস একত্র করে নিচ্ছিলেন। শিক্ষক কামরুল ও মরিয়ম আক্তার ক্লাস না নিয়ে শিক্ষক মিলনায়তনে বসে অলস সময় অতিবাহিত করছেন। বিষয়টি সংবাদকর্মীদের নজরে আসে। এ নিয়ে কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নজরে আসলে ২০ জানুয়ারী ওই তিন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করেন।
তিন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা জানান, একটি শ্রেণি কক্ষে ছয়টি ক্লাস একত্র করে ক্লাস নেয়া এবং দুই শিক্ষক অলস সময় কাটানো এ নিয়ে কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এরই প্রেক্ষিতে ২০ জানুয়ারী তিন শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং তিন কার্যদিবসে নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।