পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় খলতবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মিয়ার বাড়িতে প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রাসেল মিয়ার বাবা নয়ন মিয়া (৬৫) মাথায় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। হামলায় পরিবারের আরও দুজন সদস্য আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নয়ন মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন আজিম উদ্দিন, মোখলেছ উদ্দিন ও হারিছ উদ্দিন তালুকদারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন।
ভুক্তভোগী ও মামলার বাদী রাসেল মিয়া বলেন, “সকালে চিৎকারের শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি আজিম উদ্দিনসহ অন্যরা আমার বাবাকে মারধর করছে। একপর্যায়ে লোহার শাবল দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করা হয়। আমি বাঁচাতে গেলে আমাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। বাবা এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আজিম উদ্দিন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তারা প্রথমে আমার ওপর হামলা করেছিল। পরবর্তীতে সংঘর্ষের সময় লাঠির আঘাতে নয়ন মিয়া আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মাওহা ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মানিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। কোনো পক্ষই মীমাংসার জন্য আসেনি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিত।
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্ত অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।